বুদ্ধিজীবী হত্যা: পাকিস্তানি জবান – মফিদুল হক December 14th, 2009
লেখাটি সবার সাথে শেয়ার করতে চাইলে এই লিঙ্কটি প্রদান করুন।
http://docs.google.com/View?id=ddvf4c53_101hc9fccgw
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্বে বিশ্ব ইতিহাসে তুলনাবিহীন যে নৃশংস বুদ্ধিজীবী নিধন ঘটে, সাধারণ বুদ্ধিতে তার কার্যকারণ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পাকিস্তানি জেনারেলরা প্রাণ বাঁচাতে অস্ত্রবিরতির জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল। ৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় গভর্নর এ এম মালিক ও সেনাপ্রধান জেনারেল নিয়াজির তরফে হেডকোয়ার্টারে লড়াই বন্ধের বাণী পাঠানো। মিত্র বাহিনী যখন পৌঁছে যায় ঢাকার উপকণ্ঠে, তখন নিছক অস্ত্র সংবরণ প্রস্তাব পুরোপুরি পরাজয় স্বীকার প্রস্তাবে পর্যবসিত হয়; কেবল শর্ত হিসেবে বলা হয়, পাকিস্তানি বাহিনীকে যেন নিরাপদে দেশে ফিরে যেতে দেওয়া হয়। অবিশ্বাস্যভাবে একই সঙ্গে চলে বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা, পাকিস্তানি বাহিনী গঠিত দেশীয় গুপ্তঘাতক আলবদরের সদস্যরা নীল সংকেত পেয়ে হয়ে ওঠে সক্রিয়। যেভাবে নির্বাচিত বুদ্ধিজীবীদের বাড়ি থেকে তুলে আনা হয় এবং মোহাম্মদপুরের ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে আটক করে নির্মম অত্যাচারের পর ১৪ ডিসেম্বর ভোরের আলো ফোটার আগে হত্যা করে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরের ইটের ভাটায় গাদাগাদি করে ফেলে রাখা হয়, তা পরিকল্পিত ও সংগঠিত সামরিক পরিকল্পনার পরিচয় বহন করে।
কীভাবে ঘটল বুদ্ধিজীবী হত্যা, এর বিচ্ছিন্ন নানা বিবরণ পাওয়া যায়; তবে কেন ঘটানো হলো এ হত্যাকাণ্ড, সে বিষয়ের ওপরও আলোকপাত দরকার। এই আলোকসম্পাতের অংশ হিসেবে আমরা বুদ্ধিজীবী-হত্যাকারী পাকিস্তানি বাহিনীর নেতৃত্বের ঘাতকমানস বিচার করে দেখতে পারি, আর এ কাজে পাকিস্তানি জবান বা ভাষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
একটি গোটা জাতির প্রতি পোষিত ঘৃণা ও অবজ্ঞা থেকে জন্ম নেয় জেনোসাইড তথা জাতি হত্যার মানস, আর সেই জাতির অন্তর্ভুক্ত বিশেষ গোত্র, ধর্ম বা বিশ্বাসের মানুষ হতে পারে আরও তীব্র ঘৃণার পাত্র। সাধারণভাবে বাঙালি বিদ্বেষ হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানি বাহিনীতে প্রচলিত মানস, আর তার মধ্যে বিশেষভাবে চিহ্নিত হয়েছিল হিন্দুধর্মের অনুসারী ও বুদ্ধিজীবী গোষ্ঠী।
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন যে ছোটবেলা থেকে তিনি শুনে এসেছেন বাঙালি আছে তিন রকমের—বাবু বাঙালি, জাদু বাঙালি ও ভুখা বাঙালি। সুপ্রাচীন ঐতিহ্যসমৃদ্ধ একটি জাতি সম্পর্কে এমন অবজ্ঞাসুলভ মন্তব্য নির্বোধ পাকিস্তানি জেনারেলের পক্ষেই করা সম্ভব। আর লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজি সাম্প্রদায়িক ইতিহাসবোধের পরিচয় দিয়ে লিখেছেন, ‘দেশভাগের সময় পশ্চিম পাকিস্তানে বসবাসরত হিন্দুদের বেশির ভাগই ভারতে চলে যায়। পূর্ব পাকিস্তানে এমনটা হয়নি। মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই হিন্দু জমিদার ও ব্যবসায়ীদের অধীনস্থ ছিল তারা। হিন্দুদের মধ্যে শিক্ষার প্রচলন বেশি থাকাতে স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বড় অংশ ছিল তারা। যুবকদের কাঁচা বয়সে চিন্তাভাবনা প্রভাবিত করতে শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।’ পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান সম্পর্কে ব্রিগেডিয়ার এ কে সিদ্দিকি লিখেছিলেন, ‘শান্তি প্রতিষ্ঠায় এটা কোনো সাময়িক মিশন ছিল না, ছিল বাঙালিদের খাঁটি মুসলমানে রূপান্তর ও পরিবর্তনের প্রচেষ্টা। হিন্দু প্রভাব একেবারে ঝাড়েবংশে দূর করতে হবে, মুষ্টিমেয় যেসব মানুষ নিরক্ষর জনসাধারণকে ভুল পথে প্ররোচিত করেছে, তাদের অবশ্যই নির্মূল করতে হবে, এই ছিল লক্ষ্য।’ পাশাপাশি দেখা যেতে পারে বদর দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের দেওয়া ভাষণ। তিনি বলেছেন, ‘যত দিন পর্যন্ত দুনিয়ার বুক থেকে হিন্দুস্তানের নাম মুছে না দেওয়া যাবে, তত দিন পর্যন্ত আমরা বিশ্রাম নেব না।’ লাইব্রেরির প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল থেকে হিন্দু লেখকদের কোনো বই অথবা হিন্দুদের দালালি করে লেখা পুস্তকাদি লাইব্রেরিতে কেউ স্থান দিতে পারবেন না বা বিক্রি বা প্রচার করতে পারবেন না। যদি কেউ করেন, তবে পাকিস্তানের স্বেচ্ছাসেবকেরা জ্বালিয়ে ভস্ম করে দেবে।’
২৫ মার্চ গণহত্যা শুরুর যে সামরিক পরিকল্পনা, অপারেশন সার্চলাইট, সেখানেও এমনই বিকৃত চিন্তার ছায়াপাত ঘটেছিল। বলা হয়েছে, ‘গ্রেপ্তার করতে হবে সর্বোচ্চসংখ্যক রাজনীতিক ও ছাত্রনেতা এবং শিক্ষকমণ্ডলী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উগ্রবাদী নেতাকে’, পরদিনের কর্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘তল্লাশি চালাতে হবে ধানমন্ডির বাড়ি বাড়ি এবং পুরান ঢাকার হিন্দুবাড়িতে।’
হত্যাকাণ্ড শুরুর পর সমরকর্তারা ২৭ মার্চ সকালে ক্যান্টনমেন্টে স্টাফ কনফারেন্স অনুষ্ঠান করেন। ব্রিগেডিয়ার এ আর সিদ্দিকি এই সভার যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা থেকে বোঝা যায় কী অদ্ভুত চিন্তা দ্বারা আচ্ছন্ন ছিলেন সেনা কর্মকর্তারা। তিনি লিখেছেন, ‘উপস্থিত সবাই ছিল আত্মবিশ্বাসে ভরপুর এবং সামরিক অভিযান নিয়ে সম্পূর্ণ সন্তুষ্টির ভাব বিরাজ করছিল। বাঙালিদের হূদয় জয় করতে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জিলানি দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। তিনি বললেন, ‘পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা অবশ্যই দূর করতে হবে। সে জন্য বাংলা হরফের বদলে উর্দু হরফ চালু করতে হবে, কেননা বাংলা তো হিন্দি হরফের মতো একই, সেই সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতি থেকে সব হিন্দুবৈশিষ্ট্য বিতাড়িত করতে হবে। সাধারণ বাঙালিদের দোষের কিছু নেই, তারা স্রষ্টাভীরু মানুষ। যাবতীয় অনৈসলামিক আদর্শ ও তরুণদের মধ্যে এর কুপ্রভাবের পেছনে রয়েছে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী—শিক্ষক, আইনজীবী, বুদ্ধিজীবী, যাঁদের অধিকাংশ হিন্দু।’
নয় মাস পর নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে এহেন পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের ওপর মরণাঘাত হানবে, সেটা এই পটভূমিকায় খুব বিস্ময়কর মনে হয় না। কেননা ঘৃণা ও নির্বুদ্ধিতার যে সমন্বয় তাদের মধ্যে ঘটেছিল সেটাই তাদের এই চরম বর্বর পদক্ষেপ নিতে প্ররোচিত করেছিল। জেনারেল নিয়াজি ও ফরমান আলী উভয়ের স্মৃতিগ্রন্থে ১৪ ডিসেম্বরের হত্যাকাণ্ডের কোনো উল্লেখ নেই। ডিসেম্বরের দিনগুলোর অনুপুঙ্খ বিবরণ দিলেও বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তারা বেমালুম চেপে গেছেন। অন্যদিকে যুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়ের কারণ অনুসন্ধানের জন্য গঠিত হামুদুর রহমান কমিশন প্রতিবেদনে এই প্রসঙ্গ এড়ানো যায়নি। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁরা আর ঘটনা বেমালুম অস্বীকার করতে পারেননি, চেষ্টা করেছেন রাখঢাকের ও অপরের ওপর দোষ চাপাবার। হামুদুর রহমান কমিশন প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট হয়ে ওঠে ৯ অথবা ১০ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজি, মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এবং ১৪ ডিভিশনের প্রধান মেজর জেনারেল জামশেদ বুদ্ধিজীবী প্রসঙ্গ নিয়ে বিশেষ সভা করেছিলেন। এই সভার কথা স্বীকার করেও সবাই যাঁর যাঁর সাফাই গেয়েছেন। কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী ফরমান আলীর বক্তব্য ছিল এমন: সন্ধ্যার সময় তিনি ফোন পান ঢাকা বিভাগের উপসামরিক আইন প্রশাসক মেজর জেনারেল জামশেদের কাছ থেকে এবং তিনি পিলখানায় তাঁর হেডকোয়ার্টারে আসতে বলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি দেখতে পান, বিপুলসংখ্যক গাড়ি দাঁড় করানো আছে। মেজর জেনারেল জামশেদ তখন গাড়িতে উঠছিলেন এবং তিনি মেজর জেনারেল ফরমান আলীকে গাড়িতে উঠতে বলেন। তাঁরা উভয়ে মিলে ইস্টার্ন কমান্ডের হেডকোয়ার্টারে জেনারেল নিয়াজির সঙ্গে দেখা করতে যান। পথে ফরমান আলীকে জামশেদ জানান যে তাঁরা কিছু লোককে গ্রেপ্তারের কথা ভাবছেন। ফরমান আলী এর বিপক্ষে মত দেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজির দপ্তরে গিয়েও ফরমান আলী একই মত পুনরায় ব্যক্ত করেন। তখন লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজি ও মেজর জেনারেল জামশেদ উভয়ে চুপ করে ছিলেন।’
মেজর জেনারেল ফরমান আলীর এই ভাষ্য থেকে স্বীকারোক্তি মেলে বুদ্ধিজীবীদের আটক করবার জন্য গাড়ি প্রস্তুত ছিল এবং গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছিল। অনুমান করা যায়, যেসব গাড়ি প্রস্তুত ছিল তা বেসামরিক যান, আর তাই পিলখানার ভেতর এসব গাড়ি ফরমানের বিশেষভাবে নজরে পড়েছিল। গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত যখন হয়েছে, এর অর্থ একটি তালিকাও নিশ্চয় তৈরি হয়েছিল। এই তালিকা প্রসঙ্গে যে প্রশ্ন হামুদুর রহমান কমিশন করেনি, তা হলো, কেন মেজর জেনারেল ফরমান আলীর ডেস্ক ক্যালেন্ডারে বুদ্ধিজীবীদের নাম তাঁর নিজের হাতে লেখা ছিল। বোঝা যায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পৃক্তি ছিল রাও ফরমান আলী ও মেজর জেনারেল জামশেদের। উল্লেখ্য, রাজাকার বাহিনী গঠিত হয়েছিল আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ডিন্যান্স জারি করে এবং বেসামরিক প্রশাসন এর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল। অন্যদিকে ঘাতক আল-বদর বাহিনী গঠন করা হয়েছিল রাজনৈতিক নেতৃত্ব দ্বারা এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন গভর্নর নয়, গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। বুদ্ধিজীবী হত্যার জন্য তিনি নিয়োগ করেছিলেন ফ্যাসিস্টদের স্টর্ম ট্রুপার বা এসএস বাহিনীর মতো রাজনৈতিক দীক্ষাপ্রাপ্ত ইসলামী ছাত্রসংঘের পরীক্ষিত নেতাদের। আর এই কাজের লজিস্টিক সমর্থন প্রদান করেন মেজর জেনারেল জামশেদ। বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞের জন্য তাই প্রত্যক্ষভাবে দায়ী ইস্টার্ন কম্যান্ডের নেতৃবর্গ এবং তাদের এ-দেশীয় দোসর ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতৃত্ব। এসব বিষয়ে অধিকতর তথ্যানুসন্ধান এখন জরুরি হয়ে উঠেছে, কেননা গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের যে প্রক্রিয়া অচিরেই শুরু হতে যাচ্ছে, সেখানে এই হত্যাকাণ্ড বড়ভাবে উঠে আসবে এবং যথাসম্ভব তথ্য আহরণ বিশেষ জরুরি।
পরিশেষে উল্লেখ করা যায় জেনারেল গুল হাসানের স্মৃতিকথার সমালোচনা প্রসঙ্গে ব্রিগেডিয়ার এফ বি আলীর উক্তি। তিনি বলেছেন, ‘প্রায়শ প্রশ্ন করা হয়, কীভাবে এক দল মদ্যপ, দুশ্চরিত্র, দুর্নীতিগ্রস্ত ও আহম্মক জেনারেল ক্ষমতা দখল করে কয়েক বছর ধরে দেশ শাসন করতে পেরেছিল। এর উত্তর পাওয়া যাবে ক্ষমতার অন্দরমহলে, যেখানে আরেক দল জেনারেল, যারা সুরার বদলে ক্ষমতার নেশা দ্বারা বিভোর, নৈতিক বিচারে অসত্, ওপরভাসাভাবে চালাক আদতে বুদ্ধিহীন, উচ্চাভিলাষী ও নিষ্ঠুর—তারা এই সব বেল্লিকের পিঠ চাপড়িয়ে নিজেরা ক্ষমতা ভোগ করেছে। এরা হচ্ছে পীরজাদা, আতিকুর রহমান, উমর, রহিম, ফরমান আলী প্রমুখ। তাঁদের পাঁড়মূর্খতার সঙ্গে নৈতিকতার বালাইহীনতা মিলে পূর্ব পাকিস্তানে আমাদের নিজেদের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক যুদ্ধের সূচনা করে, পরিণামে বয়ে আনে একাত্তরের বিপর্যয়।’
ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক পাকিস্তানি জবানিতে বাস্তবের নানা স্বীকৃতি প্রকাশ পাচ্ছে। ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতার রাজনীতি মানবতাকে কোন অতল অন্ধকারে ঠেলে দেয়, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড তার পরিপ্রকাশক। আমাদের প্রয়োজন এ সম্পর্কে সবিস্তার তথ্য সংগ্রহ, দোষীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো এবং উদার, অসাম্প্রদায়িক, সহিষ্ণু সমাজ প্রতিষ্ঠার সব প্রয়াস বেগবান করা। তবেই তো নিবেদিত হবে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি।
মফিদুল হক: প্রাবন্ধিক ও সংস্কৃতিকর্মী।
This entry was posted on Monday, December 14th, 2009 at 12:49 am and is filed under Bangladesh, এলোমেলো, ১৯৭১. You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed.You can leave a response, or trackback from your own site.
