
যে কজন চলচ্চিত্রকার ইরানের চলচ্চিত্র জগৎ বদলে দিয়েছেন, যাঁরা নিজেদের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে রসদ নিয়ে আবিষকার করেছেন একটি স্বতন্ত্র চলচ্চিত্রভাষা এবং সেই ভাষা হলিউডের প্রবল দাপটের মধ্যেও বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করে নিয়েছে; সেই চলচ্চিত্রকারদের অন্যতম মহ্সেন মাখমালবাফ। তিনি নানা রকম রাষ্ট্রীয় অনুশাসন আর বাধা-বিপত্তির মধ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তাঁর কিছু ছবি ইরানে ছাড়পত্র পায়নি, কিছু ছাড়পত্র পাওয়ার পরও নিষিদ্ধ হয়েছে আবার কিছু ছবির অংশবিশেষ কর্তন করা হয়েছে। ছাড়পত্র পেতে, নিষেধ ও কর্তন এড়াতে অথবা যাতে কম কর্তিত হয় সেই লক্ষ্যে তিনি ছবি নির্মাণ করেছেন নানা রকম কৌশল অবলম্বন করে।
http://www.imdb.com/name/nm0538532/
মহ্সেন মাখমালবাফ পরিচালিত ছবির তালিকা
- স্ক্রিম অব দ্য অ্যান্টস (২০০৬)
- পোয়েট অব ওয়্যাসটস (২০০৫)
- চেয়ার (২০০৫)
- সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি (২০০৫)
(২০০৫ থেকে ইরানে নিষিদ্ধ)
- কোল্ডার দ্যান ফায়ার (২০০৫)
- মানডে মার্কেট (২০০৪)
- দ্য আফগান অ্যালফাবেট (২০০২, তথ্যচিত্র)
- কান্দাহার (২০০১)
- টেসট অব ডেমোক্র্যাসি (১৯৯৯)
- দ্য সাইলেনস (১৯৮৯)
(ইরানে ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত নিষিদ্ধ)
- অ্যা মোমেন্ট অব ইনোসেনস (১৯৯৫)
(ইরানে ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৭ নিষিদ্ধ)
- হ্যালো সিনেমা (১৯৯৫)
- দ্য অ্যাক্টর (১৯৯৩)
- ওয়ানস আপ-অন অ্যা টাইম, সিনেমা (১৯৯২)
(ইরানে ১৯৯২-৯৩ সালে নিষিদ্ধ)
- দ্য নাইটস অব জায়েনডে-রোড (১৯৯১)
(১৯৯১ সাল থেকে ইরানে নিষিদ্ধ)
- টাইম অব লাভ (১৯৯০)
(১৯৯০ সাল থেকে ইরানে নিষিদ্ধ)
- দ্য ম্যারিজ অব দ্য ব্লেসড (১৯৮৯)
- দ্য বাইসাইক্লিসট (১৯৮৭)
- দ্য প্যাডলার (১৯৮৭)
- বয়কট (১৯৯৫)
- টু ব্লাইন্ড আইজ (১৯৮৪)
- ফ্লিইং ফ্রম ইভিল টু গড (১৯৯৪)
সূত্রঃ প্রথম আলো।
মহ্সেন মাখমালবাফ
This entry was posted in সিনেমা and tagged Iran, Mohsen Makhmalbaf, মহ্সেন মাখমালবাফ. Bookmark the permalink.
