সায়ানের গান – আমি তাজ্জব হয়ে যাই January 22nd, 2010
‘এক দিনে একটি গান সৃষ্টি হয় না। কথাগুলো মাথার ভেতর ঘোরাফেরা করে। একসময় কথা আর সুরের মেলবন্ধন ঘটে। তারপর দানা বেঁধে গান হয়ে বেরোয়। তখনই শান্তি।’ গান করাটাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করেন সায়ান। সায়ানের গানগুলো তাই একদমই তাঁর নিজের অনুভূতির গান।
‘আমার গানের মূল বিষয় কেবল তিনটি—কথা, সুর ও কণ্ঠ। এর বাইরে শ্রোতারা আমাকে যা করতে দেখেন, তা শুধু আনুষঙ্গিক। ইন্সট্রুমেন্ট আমি খুব ভালো বাজাতে পারি না। এ নিয়ে অবশ্য মনে কোনো দুঃখও নেই।’
আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন সায়ান। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কিছু কাজও করেন সে বিষয়ে। তবে আসল কাজ এখন গান। গানের সঙ্গেই যে রাত-দিন কাটে সায়ানের, সেটা তাঁর ঘরে ঢুকলেই টের পাওয়া যায়। দেয়ালজোড়া বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। গিটার, হারমোনিকা, ল্যাপটপ আর অসংখ্য সিডির মধ্যে সায়ানের বসবাস।
সায়ানের গানের কথায় রয়েছে ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ। এর মধ্যে দুই নেত্রীকে নিয়ে সায়ানের অন্য রকম গান, রবীন্দ্রনাথ-নজরুল বিতর্কের শেষ চান, মানুষকে তার অধিকার বুঝে নিতে বলেন। কোনো লক্ষ্য সামনে রেখে নয়, নিজের যা মনে হয়, তা বলার জন্যই এমন গান করেন সায়ান। ‘গান গেয়ে সমাজ পাল্টানো যায়—এ চিন্তাটা একটা বিভ্রান্তি। এই কাজ শিল্পীর নয়, রাষ্ট্রের। গান গেয়ে আমি শ্রোতাদের মনে টোকা দিতে পারি। সেটা থেকে যদি কোনো বদল হয়, তাহলে তো ভালোই।’ সায়ান নিজে এমনই মনে করেন।
