Summer 2007   November 27th, 2008


Nobel Laureate Dr. Mumhammad Yunus has not only brought millions out of the quagmire of poverty in Bangladesh but also inspired a feature film screened in the Indian Panorama section of International Film Festival of India (IFFI) in Goa.
The film “Summer 2007,” directed by debutant Suhail Tatari and produced by Atul Pandey, is inspired by the work on micro credit by Dr. Yunus, which helped firming up the story of the movie, Pandey told The Hindu newspaper.
Starring Sikander Kher (son of noted actor-couple Anupam Kher and Kiron Kher), Ashutosh Rana, Sachin Khedekar and Gul Panag, “Summer 2007″ is the story of modern day Indian youths’ indifference to the world outside that of their own in metropolitan cities, says Pandey.
The film touches on the agrarian crisis in Vidarbha in the western state of Maharashtra where recurrent drought and consequent crop failure have forced many farmers to suicide.
Pandey said The Hindu’s extensive coverage of farmers’ plight also inspired “Summer 2007″ at its scripting stage.
Tatari is a known figure in Indian television circuit, having made a number of documentaries, but “Summer 2007″ is his first big screen project.
Courtesy: the daily star (Bangladesh)



নারী চলচ্চিত্রকারের নতুন রেকর্ড

নারী চলচ্চিত্রকার Catherine Hardwicke নতুন রেকর্ড গড়েছেন। তার পরিচালিত ‘Twilight ’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহে আয় করেছে ৭০.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ছবিটি এখন উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসের শীর্ষস্থানে আছে। একটি মেয়ে ও এক ভ্যাম্পায়ারের মন দেওয়া-নেওয়াই এ ছবির উপজীব্য। ‘Twilight’-এর দৌরা্ত্ম্যে শীর্ষস্থান থেকে দুই নম্বরে গেছে জেমস বন্ড ছবি ‘কোয়ান্টাম অব সোল্যাস’। ডিজনির অ্যানিমেটেড ছবি ‘বোল্ট’ আছে তিনে। প্রযোজক সামিট এন্টারটেইনমেন্ট ইতিমধ্যে ‘Twilight’-এর দ্বিতীয় পর্ব তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে নারী নির্মাতা মিমি লিডারের ‘ডিপ ইমপ্যাক্ট’ ১৯৯৮ সালে মুক্তির প্রথম সপ্তাহে ৪১.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে রেকর্ড গড়েছিল।
‘হ্যারি পটার’খ্যাত রবার্ট প্যাটিনসন ও Kristen Stewart ‘Twilight’-এ অভিনয় করেছেন। ক্যাথেরিন এর আগে ‘থার্টিন’ পরিচালনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। এই সময়ে ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ ব্ল্যাড প্রিন্স’ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ২০০৯ সালে।

Tags: , , ,
Posted in Uncategorized | 1 Comment »

টুকরো কথা   November 19th, 2008

ঘড়ির কাঁটা মন মানে না সই
কাটাবনের রাস্তা জুড়ে ছায়া ঝিমায় অই
পেছনে ফেরে মাছের ছবি, ঘরের মাঝে বন
ফুলওয়ালি বিক্রি করে মন।

১৯৯৮ সালের ২৩শে জানুয়ারি তারিখে গানটি লিখেছিলেন সঞ্জীব চৌধুরী।
আর এই গানটি নিয়েই আজ আলবাম 'টুকরো কথা' বের হচ্ছে জি-সিরিজ থেকে।
টুকরো কথা গানটির কথা ও সুর সঞ্জীব চৌধুরীর।

একজন সঞ্জীব চৌধুরী
সঞ্জীব চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
কার ছবি নেই, কেউ কি ছিল এই ভেবে ডুবে গেছে চাঁদ…


মানুষ জন্মগ্রহণ করে, পৃথিবীতে জীবনযাপন করে কিছুদিন, তারপর মৃত্যুতে ঘটে তার পরিসমাপ্তি। এভাবে যতো মানুষ আসে, সবাই চলে যায়। দু’চারদিন পর তাকে ভুলে যায় সবাই। এটাই সাধারণের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। কিন্তু যিনি কীর্তিমান, মানুষের মনে অপার ভালোবাসা যিনি রেখে যান, তাকে কেউ বিস্মৃত হয় না। তিনি থাকেন এবং নানা প্রসঙ্গে ঘুরে-ফিরে আসেন আমাদের মধ্যে। এমনই একজন মানুষ সঞ্জীব চৌধুরী, আমাদের প্রিয় সঞ্জীব দা। আজ তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। গত বছরের এই দিনে তিনি বাইলেটারেল সেরিব্রাল স্কিমিক স্ট্রোকে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে সাহিত্য-সংস্কৃতি, গানপাড়া, সাংবাদিক অঙ্গনসহ সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে আসে। ১৯৬৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর তিনি হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে মাস্টার্স করে আশির দশকে সাংবাদিকতা শুরু করেন সঞ্জীব চৌধুরী। আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ ও যায়যায়দিনসহ বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় কাজ করেছেন তিনি। সর্বশেষ কাজ করেছিলেন যায়যায়দিনের ফিচার এডিটর হিসেবে। এখন যারা প্রিন্ট মিডিয়ায় সাংবাদিকতা করছেন তাদের অনেকেই সঞ্জীব চৌধুরীর হাতে গড়া। ছাত্রজীবনে শঙ্খচিল নামে একটি গানের দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালে বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে গঠন করেন ভিন্নধর্মী ব্যান্ড দলছুট। স্বপ্নবাজি নামে একটি একক অ্যালবাম মুক্তি পায় তার। ব্যান্ড ও সলো অ্যালবামে সঞ্জীব চৌধুরীর গাওয়া জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে গাড়ি চলে না, বায়োস্কোপ, আমি তোমাকেই বলে দেবো, কোন মেস্তিরি বানাইয়াছে নাও, আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ, সাদা ময়লা রঙিলা পালে, চোখ, কথা বলবো না প্রভৃতি। শিল্পী হিসেবে যতোটা জনপ্রিয় ছিলেন সঞ্জীব চৌধুরী, তারচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিলেন গীতিকার ও সুরকার হিসেবে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনেক গীতিকারই তার দ্বারা প্রভাবিত। গানের পাশাপাশি কবিতাও লিখতেন সঞ্জীব চৌধুরী। দেশের প্রায় সব পত্রিকায়ই তার কবিতা ছাপা হয়েছে। তার একমাত্র কাব্যগ্রন্থের নাম রাশপ্রিন্ট। শুধু কবিতা নয়, সঞ্জীব চৌধুরী বেশ কিছু ছোট গল্প ও নাটকের স্ক্রিপ্ট লিখেছেন। সঞ্জীব চৌধুরী অভিনীত একমাত্র নাটক সুখের লাগিয়া। সৃজনশীল ও মেধাবী এ মানুষটির মৃত্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সৃজনশীলতার অনেক শাখা। তবু আমাদের বলতে হয়, সঞ্জীব চৌধুরীদের মৃত্যু নেই, তারা চিরকালই মানুষের স্মৃতিতে ভাস্বর।

যেভাবে চলছে সঞ্জীব চৌধুরীর পরিবার

সঞ্জীব চৌধুরী মারা যাওয়ার পর বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাঙক্ষীসহ মিডিয়া সংশ্লিষ্ট সবাই তার পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন। পরিবারটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য কেউ কেউ আর্থিক সহযোগিতার কথাও বলেছেন। দেখতে দেখতে এক বছর পার হয়ে গেল, কিভাবে চলছে সঞ্জীব চৌধুরীর পরিবার- এ প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে প্রায় সবার মনে। এ ব্যাপারে সঞ্জীব চৌধুরীর স্ত্রী শিল্পীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি মায়ের সঙ্গে নিজ বাড়িতে থাকছি। আমাদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। কিংবদন্তিকে নিয়ে আমি বেশ ভালো আছি। সঞ্জীব চলে যাওয়ার পর অনেকেই আমাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন, আমি বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছি। বলেছি, ভবিষ্যতে দরকার হলে চেয়ে নেবো। দুস্থ শিল্পী হিসেবে নিজের জন্য সাহায্য তোলা হবে- এটা খুবই অপছন্দ করতো সঞ্জীব। আমার নিজেরও পছন্দ নয়। হাসপাতালে থাকাকালে সঞ্জীবের জন্য অনেকেই অনেক কিছু করেছেন, আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এখনো যারা সহযোগিতা করতে চাইছেন, তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ আমি। এ ব্যাপারে বাপ্পা মজুমদার বলেন, দাদা দলছুটের আজীবন সদস্য। দলছুটের পক্ষ থেকে দাদার জন্য একটা ফান্ড করা হয়েছে। দলছুটের স্টেজ শো ও অ্যালবামের রয়ালিটি থেকে দাদার ফান্ডে নিয়মিত টাকা জমা হচ্ছে। এ টাকা আমরা শিল্পীর হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলাম। শিল্পী এ টাকা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং বলেছে, টাকাগুলো কোনো সামাজিক কাজে ব্যবহার করতে কিংবা গরিব-দুঃখী আর এতিমদের মধ্যে বিতরণ করতে।

সোলস ও দলছুটের কিংবদন্তি

সঞ্জীব চৌধুরী মারা যাওয়ার পর সোলস ও দলছুট ব্যান্ড সঞ্জীব চৌধুরী স্মরণে তারই লেখা গান নিয়ে একটা অ্যালবাম করার ঘোষণা দেয়। দেশের প্রায় সব পত্র-পত্রিকায়ই বিষয়টি ফলাও করে প্রকাশিত হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত অ্যালবামটি আলোর মুখ দেখেনি। এ ব্যাপারে দলছুটের বাপ্পা মজুমদার বলেন, কিংবদন্তি নিয়ে দলছুটের কাজ অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। সমস্যা হলো সোলসকে নিয়ে। ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় পার্থ দা সময় দিতে পারছেন না। আমরা ভাবছি, শেষ পর্যন্ত সোলস সময় দিতে না পারলে আমরা সঞ্জীব দার লেখা ৪-৫টি গান দিয়ে একটি অ্যালবাম করবো। এ ব্যাপারে সোলসের কর্ণধার পার্থ বড়ুয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হঠাৎ করে ক্লোজআপ ওয়ানে জড়িয়ে পড়ায় সময় দিতে পারিনি। ডিসেম্বরেই ক্লোজআপ ওয়ান শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর প্রথমেই আমি কিংবদন্তি অ্যালবামের কাজ শুরু করবো।

একমাত্র মেয়ে কিংবদন্তি

সঞ্জীব চৌধুরীর একমাত্র মেয়ে কিংবদন্তি। ২০০৪ সালের ১৮ মে জন্ম তার। প্রায় সাড়ে চার বছর বয়সের শিশু কন্যা কিংবদন্তি এখনো বুঝে উঠতে পারেনি বাবা হারানোর বেদনা। তাই বেশ হেসে-খেলেই জীবন পার হচ্ছে তার। তবে হঠাৎ হঠাৎ বাবার কথা বলে উঠে সে। টিভিতে সঞ্জীব চৌধুরীর কোনো গান দেখলেই খুব খুশি হয়, দৌড়ে গিয়ে মাকে খবর দেয়। বাপ্পা মজুমদারকে দেখলেও একই রকম প্রতিক্রিয়া হয় তার। মিরপুরের এফএম মেথড স্কুলে নার্সারিতে পড়ছে কিংবদন্তি। আর কিছুদিন পরই ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে কেজিতে উঠবে সে। স্কুল ও বাসার পড়া শেষ করেই টিভি দেখতে বসে সে। টিভিতে তার প্রিয় অনুষ্ঠান কার্টুন। টম অ্যান্ড জেরির ভীষণ ভক্ত সে। বড় হয়ে কি হতে চায় জানতে চাইলে কিংবদন্তি বলে, বড় হয়ে আমি ডাক্তার হবো। অবচেতন মন হয়তো বাবার চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেনি।

সঞ্জীব বেঁচে আছে ওর গানে : শিল্পী

মিরপুরের প্রিয়াঙ্গন আবাসিক এলাকায় মায়ের বাড়িতে থাকেন সঞ্জীব চৌধুরীর স্ত্রী খন্দকার আলেমা নাসরীন শিল্পী। মা ছাড়াও এ বাড়িতে আরো রয়েছেন ছোট বোন ও তার হাজব্যান্ড। মা ও ছোট বোন চাকরি করেন উত্তরা ব্যাংকে। ছোট বোনের হাজব্যান্ড ডাক্তার। সকালে ঘুম থেকে উঠেই যে যার কাজে চলে যান আর শিল্পী সারাটা দিন কাটিয়ে দেন কিংবদন্তির পড়াশোনা ও টেক কেয়ার করে। ভোরের কাগজ, আনন্দ ভুবনসহ কয়েকটি পত্রিকায় লেখালেখি আর পরে ডাইং ফ্যাক্টরি ও কপি রাইটার হিসেবে অ্যাড ফার্মে চাকরি করলেও এখন আর কিছুই করছেন না তিনি।
কিংবদন্তি বড় হওয়া পর্যন্ত, নিজেই নিজের দায়িত্ব নেয়া পর্যন্ত আর কোনো চাকরি করবো না। ওর বাবা না থাকায় একই সঙ্গে আমাকে বাবা ও মায়ের দায়িত্ব পালন করতে হয়।…দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন শিল্পী। সঞ্জীব চৌধুরীর অভাব কতোটা পীড়িত করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আসলে কাউকে বলে বোঝানোর মতো নয়। একজন মানুষের শূন্যতা প্রতি মুহূর্তেই অনুভূত হয়। এ অনুভূতি ভাষাহীন। তবে গান শুনতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় আমার। আমি তাই সিডি বাজিয়ে ওর গান শুনতে পারি না। মাঝে মাঝে রেডিওতে বাজে, তখন শোনা হয়। আমি চাই ওর গান আরো বেশি বেশি করে বাজুক, মানুষ ওর গান শুনুক। সঞ্জীব তো বেঁচে আছে ওর গানেই। গান ছাড়াও সঞ্জীবের মূল প্রফেশন ছিল সাংবাদিকতা। শেষের দিকে সঞ্জীব সাংবাদিকতা নিয়ে খুব হতাশ হয়ে পড়েছিল। সব সাংবাদিকের জন্যই ওর খুব দুঃখ হতো। ও বলতো, এটা হচ্ছে সার্বক্ষণিক একটা অনিশ্চয়তার জায়গা।


সঞ্জীব দাকে খুব মিস করি : বাপ্পা

গান করতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তেই সঞ্জীব দাকে মিস করি। বিশেষ করে স্টেজে যখন সঞ্জীব দার গান করতে হয়, তখন খুব খারাপ লাগে। সঞ্জীব দার গানগুলো গাইতেও খুব কষ্ট হয়। একবার এক শোতে আমি তোমাকেই বলে দেবো গানটি গাইতে গিয়ে আমরা সবাই স্টেজেই কেঁদে ফেলেছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমরা গানটি করতে পারিনি। ব্যাক স্টেজে গিয়ে চোখ মুছেছি। প্রায় শোতেই এ রকম হয়। ঢাকার বাইরে শো করতে গেলে আসা-যাওয়ার পথে সঞ্জীব দাকে খুব মিস করি। আমাদের মধ্যে সারাক্ষণই সঞ্জীব দাকে নিয়ে কথা হয়। কারণ, শো করতে যাওয়া ও আসার পথে সঞ্জীব দা খুব দুষ্টুমি করতেন, মজার মজার কথা বলে সবাইকে খুব হাসাতেন। আজ সঞ্জীব দার মৃত্যু দিবস। এ দিবসে সঞ্জীব দাকে নিয়ে আমরা তেমন কিছুই করছি না। সবাই একবার দাদার বাসায় যাবো, বিকালে কফি হাউসের স্মরণসভায় অংশ নেবো। মৃত্যু দিবসকে সেলিব্রেট করতে চাই না। আসছে ২৫ ডিসেম্বর সঞ্জীব দার জন্মদিন। ওই দিনে অনেক কিছু করার প্ল্যান আছে আমাদের।


ইট-পাথরের নগরীতে নবান্ন উৎসব

হাজার বছরের বাঙালি ও বাংলার উৎসব – নবান্ন উৎসব। কৃষি সভ্যতার ক্রমবিকাশের পর থেকেই আবহমান কাল ধরে গ্রামবাংলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালিত হয়ে আসছে এই উৎসব। পাশাপাশি প্রতি বছরই ইট-পাথরের এই নগরীতেও নবান্নর একটু পরশ খোঁজার চেষ্টা চলে। গ্রামবাংলার নবান্নের ঘ্রাণ এখানে না পৌঁছালেও শহুরে লোকজন নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেয় অগ্রহায়ণের এই প্রথম দিনটিকে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে নবান্ন উৎসব ১৪১৫।
সরকারও এ দিনটিকে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে এ বছর থেকে জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে পালন করছে। তবে বাংলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই এই দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানিয়ে আসছে।
ঢাকঢোল পিটিয়ে নবান্ন শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে মাটির সঙ্গে চিরবন্ধনযুক্ত এই উৎসব ইট-পাথরের নগরীতে খোঁজার চেষ্টা করেছেন ব্যস- নগরবাসী। গতকাল নানা ধরনের নাচ, গান, গ্রামবাংলার ঐহিত্যবাহী বাউল গান, শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অগ্রহায়ণের এই দিনটিকে পালন করেছেন তারা। আর এরই মধ্য দিয়ে নাগরিক জীবনে একদিনের জন্য নবান্নের স্বাদ নিয়েছেন নগরবাসী। প্রতি বছরের মতো এবারো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের বকুলতলায় উৎসবের এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নবান্নোৎসব উদযাপন পর্ষদ। ‘নিজের গোলায় তুলবো ধান গাইবো গান, ভরবে প্রাণ’- এই স্লোগান নিয়েই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উদযাপন পর্ষদ। এই উপলক্ষে হাজার হাজার লোকের সমাগম হয় বকুলতলায়। সকাল পৌনে ৭টায় ক্যাপ্টেন আজিজের বাঁশির সুরে শুরু হয় উৎসব। এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রবীণ শিল্পী মোহাম্মদ কিবরিয়া। এরপর ঢাকঢোল পিটিয়ে বকুলতলা থেকে বের হয় নবান্নের বিশেষ শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার বকুলতলায় এসে মিলিত হয়।
সকালে নবান্নের গান পরিবেশন করেন মিতা হক, বিমল চন্দ্র বিশ্বাস, বিজন মিস্ত্রি, সালমা আকবর, সফিউল আলম রাজা, সন্দীপন, চন্দনা মজুমদার। এ ছাড়া রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, ধ্রুবতানও সঙ্গীত পরিবেশন করে।
কবিতা আবৃত্তি করেন ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ও লায়লা আফরোজ। স্পন্দন, নৃত্যম, নটরাজ ও নন্দনের নৃত্যশিল্পীরা নবান্নের মনোহর নৃত্য পরিবেশন করেন। পরে ‘রং তুলিতে নবান্ন’ শীর্ষক শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসবের দ্বিতীয়ার্ধে ঢাকঢোলের বাজনায় আবার মুখরিত হয়ে ওঠে বকুলতলা। এ সময় আবার দ্বিতীয় দফা সঙ্গীত, আবৃত্তি, কত্থক নৃত্য, বাউল গান শুরু হয়। উদীচী, খেলাঘর, ক্রানি-, ঋষিজ, মিরপুর আদিবাসী স্কুল, বহ্নি শিখা, সুকন্যা, ওস-াদ মমতাজ আলী খান একাডেমির সদস্যরা নৃত্য ও গান পরিবেশন করেন।
জাতীয় নবান্নোৎসব উদযাপন পর্ষদের আহ্বায়ক শাহরিয়ার সালাম ভোরের কাগজকে বলেন, প্রতি বছর আমরা বকুলতলায় নবান্ন উৎসবের আয়োজন করে আসছি। এ বছর আমাদের এক দশক পূর্তি হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসের প্রাচীনতম অনুষ্ঠানগুলোর একটি হচ্ছে নবান্ন উৎসব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে জাতীয়ভাবে এ উৎসব পালন করা হয়। আমেরিকায় নতুন ফসলের আগমন উপলক্ষে প্রতি বছর নভেম্বরের তৃতীয় বৃহস্পতিবার ধন্যবাদ জ্ঞাপন দিবস পালন করা হয়। অথচ আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য থাকার পরও আমরা এখনো নবান্ন উৎসবের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আদায় করতে পারিনি। পয়লা অগ্রহায়ণকে রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করে জাতীয় উৎসব হিসেবে পালন করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি।
নবান্ন উৎসব উপলক্ষে বকুলতলায় শুধু নাচ,গান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজনই করা হয়নি, গ্রামবাংলার বিভিন্ন ধরনের পিঠা-পায়েশ ও মুড়ি-মুড়কির মেলাও বসেছিল। এসব পিঠার মধ্যে ছিল পাটিশাপটা, ভাপা, চিতইসহ বিভিন্ন পিঠা।

তাজউদ্দীন আহমদ : নিঃসঙ্গ সারথি
তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত ‘তাজউদ্দীন আহমদ : নিঃসঙ্গ সারথি’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্রটি মুক্তি পায় ২০০৬ সালের ২৫ মার্চ। এটি প্রযোজনা করেছেন সিমিন হোসেন রিমি, চিত্রগ্রহণ করেছেন মহাদেব শী, আবহসঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু এবং ধারাবর্ণনায় কণ্ঠ দিয়েছেন চিত্রলেখা গুহ। শব্দ গ্রহণ করেছেন নাহিদ মাসুদ আর সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন উত্তম গুহ ও সারোয়ার তমিজউদ্দীন। প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণের জন্য যে গবেষণা করা হয়েছে তাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে সিমিন হোসেন রিমি।
সাক্ষাৎকার ও ফুটেজভিত্তিক এ প্রামাণ্যচিত্রে তাজউদ্দীন আহমদ সম্পর্কে বলেছেন তার অনেক বন্ধু ও সহকর্মী। তাদের অন্যতম কয়েকজন হলেন- ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম, ড. আনিসুজ্জামান ও বাহাউদ্দিন চৌধুরী। এতে সিমিন হোসেন রিমিও তার বাবা সম্পর্কে বলেছেন। এসবের মধ্য দিয়ে তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিজীবনের চমৎকার প্রোফাইল ফুটে উঠেছে।
ছবিটি বৈশাখ ডট কম এর এই ঠিকানায় দেখতে পারবেন। http://www.boishakh.net/forum/viewtopic.php?t=4134

গত দশ বছরের সেরা বই এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে দৈনিক প্রথম আলো।
১. আগুনপাখি – হাসান আজিজুল হক
২. হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি – গোলাম মুরশিদ
৩. জোছনা ও জননীর গল্প – হুমায়ূন আহমেদ
৪. গোলাপসংগ্রহ – আবদুশ শাকুর
৫. কাল নিরবধি – আনিসুজ্জামান
৬. মা – আনিসুল হক
৭. বলি যে তারানা হচ্ছে – আলতাফ হোসেন
৮. আমি সময়কে জন্মাতে দেখেছি – নির্মলেন্দু গুণ
৯. ডুমুর খেকো মানুষ ও অন্যান্য গল্প – শহীদুল জহির
১০.ইমানুয়েলের গৃহপ্রবেশ – অদিতি ফাল্গুনী।