ভয়াল ২৫ মার্চ March 26th, 2009
একাত্তরের বিভীষিকাময় ভয়াল রাতের স্মৃতি জাগানিয়া ২৫ মার্চ আজ। বাঙালির হৃদয়ে তখন লাল-সবুজ পতাকার রঙ। চেতনায় জড়িয়ে আছে একটি মুক্ত ভূখণ্ডের মানচিত্র। আন্দোলনে উত্তাল ছিল ঢাকাসহ সারা দেশ। নগরীতে ধীরে ধীরে নেমে আসে রাতের আঁধার। একে একে নিভে যায় সবগুলো বাতি। কৃষ্ণপক্ষের রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে রাজপথে শোনা যায় ভারী জিপ গাড়ি আর ট্রাকের শব্দ। অন্ধকারে হিংস্র শ্বাপদের মতো সন্তর্পণে অবস্থান নেয় ট্যাংক আর সাঁজোয়া যান। এভাবেই রচনা করা হয় বাঙালি হত্যার নীলনকশা অপারেশন সার্চলাইটের প্রথম পর্ব। এরপর ঘটে মানব ইতিহাসের নিকৃষ্টতম গণহত্যাকাণ্ড। ঘুমন্ত বাঙালির ওপর উন্মত্ত হিংস্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্তলোলুপ হায়েনা। রক্তে ভেসে যায় নগর, জনপদ। পাকিস্তানি সামরিক জান্তার সেই নৃশংস নির্বিচার গণহত্যা বিশ্ববিবেককে স্তম্ভিত করে তোলে।
TATA NANO March 23rd, 2009

লাখ টাকায় গাড়ি! ভারতীয় মধ্যবিত্তের এই স্বপ্ন বাস্তবের মুখ দেখেছে। গতকাল সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করছে টাটা গ্রুপের ‘ন্যানো’। মুম্বাইয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী ঘটনার স্মৃতিবিজড়িত তাজ হোটেলেই ন্যানোর বাজারজাতকরণ উদ্বোধন করেন টাটা গ্রুপের প্রধান রতন টাটা।
চার দরজার এই গাড়ি ভারতীয়রা কিনতে পারবেন মাত্র এক লাখ রুপিতে। একটি মোটর বাইক কিংবা একটি ভালো ল্যাপটপের দামেই একটি ব্র্যান্ড নিউ প্রাইভেট কার পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো ভারতবাসীর। এটি দামের দিক দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে সস্তা নতুন গাড়ি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে টাটা এ বছর মাত্র ৫০ হাজার গাড়ি সে দেশের বাজারে ছাড়বে। আগামী বছর উৎপাদন বাড়লে বছরে আড়াই লাখ করে গাড়ি বাজারে ছাড়বে।
তবে এ মুহূর্তেই ভারতের বাইরে ‘ন্যানো’ বাজারজাত করবে না টাটা। ২০১১ নাগাদ বাংলাদেশে এ গাড়ি আসতে পারে বলে এক খবরে জানা যায়। বাংলাদেশে গাড়ি আমদানির ট্যাক্স ও রুপির বিনিময় মূল্য বিবেচনায় আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা পড়তে পারে একটি ন্যানো নতুন গাড়ি।
Unsend Mail on Gmail ! March 23rd, 2009
একটি ইমেইল পাঠানোর পরপরই যদি মনে হয় এটা পাঠানো ঠিক ছিল না, তখন সেই ভুলটি নিয়তি হিসেবে মেনে নেয়া ছাড়া কিছুই করার থাকে না। তবে জিমেইলের নতুন ‘আনসেন্ড মেইল’ ফিচারটি চালু থাকলে নিয়তি আপনাকে ভুলটি শোধরানোর পাঁচ সেকেন্ড সময় দিতে পারে। গুগলের নতুন ‘আনসেন্ড মেইল’ অ্যাক্টিভ করতে চাইলে জিমেইলের অ্যাকাউন্টে ঢুকে Setings/Lab -এ প্রবেশ করে ‘আনসেন্ড মেইল’ ফিচারটি এনাবল করুন।
বিশ্বের সর্বনিম্ন পূরুত্ব বিশিষ্ট নোটবুক তৈরি করেছে ডেল March 23rd, 2009

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেল মাত্র ০.৬৫ ইঞ্চি পূরুত্ব বিশিষ্ট নোটবুক তৈরি করেছে যাকে বিশ্বের সবচেয়ে চিকন ল্যাপটপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ১৩.৪ ইঞ্চি স্ক্রীন এবং ১২৮ গিগাবাইট সলিড স্টেট ড্রাইভ সম্পন্ন এই ‘ল্যাক্সারি’ অ্যাডামো ল্যাপটপটি বর্তমানে বাজারে প্রচলিত অ্যাপলের ম্যাকবুক প্রো’র তুলনায় চিকন গড়নের হওয়ায় এই ল্যাপটপটিকেই বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। অ্যাপলের ম্যাকবুক এয়ার ল্যাপটপটির পুরুত্ব ০.৭৬ ইঞ্চি এবং ডেল ‘লাক্সারি’ অ্যাডামো ল্যাপটপটির পুরুত্ব ০.৬৫ ইঞ্চি। ফলে বর্তমানে ডেলের ‘লাক্সারি’ অ্যাডামো ল্যাপটপটি বিশ্বের সর্বনিম্ন পুরুত্ব বিশিষ্ট ল্যাপটপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দু’টি ভিন্ন কনফিগারেশন সমৃদ্ধ এই ল্যাপটপটির মূল্য ১৯৯৯ ইউএস ডলার এবং অপরটির মূল্য ২৬৯৯ ইউএস ডলার। বিশ্বজুড়ে পিসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানসমূহ গবেষণা অব্যাহত রেখেছে ল্যাপটপের ওজন এবং পুরুত্ব কমিয়ে আনার পাশাপাশি এর কার্যক্ষমতা ব্যবহারকারীদের কল্যাণে অধিকতর গ্রহণযোগ্যতা আনয়নের লক্ষ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় ডেল কর্তৃক বাজারে অবমুক্ত করা হলো মাত্র ১.৮ কেজি ওজন এবং ০.৬৫ ইঞ্চি পূরুত্ব বিশিষ্ট ‘লাক্সারি’ অ্যাডামো ল্যাপটপ। উল্লেখ্য, গত বছর অ্যাপল কর্তৃক ম্যাকবুক প্রো বাজারে ছাড়ার সাথে সাথে ব্যাপকভাবে ক্রেতা আকর্ষণে সম্ভব হয় এবং অ্যাপল ব্যবসা সফলতা অর্জন করে। ডেলের নতুন এই হালকা গড়নের ল্যাপটপটি ১.২ গিগাহার্জ ইন্টেল কোর টু ডুয়ো প্রসেসর সমৃদ্ধ হওয়ায় ব্যস্ত জীবনে সহজে বহনযোগ্য এবং কার্যকর ল্যাপটপ হিসেবে ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের নিকট ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে আশা করছে ডেল কর্তৃপক্ষ।
গ্রন্থাগার March 18th, 2009
ঘরেই গড়ে তুলুন গ্রন্থাগার
বই পড়তে ভালোবাসে না এমন মানুষের সংখ্যা হাতে গোনা। ছোট হোক বড় হোক, যে ধরনেরই বই হোক, জ্ঞানপিপাসু মানুষ বই পড়তে ভালোবাসে। বই পড়তে পড়তে হয়তো কেউ গড়ে তোলে গ্রন্থাগার নিজ বাসভবনে।
নিজের বাসভবনের একটা ঘরজুড়ে বইয়ের সংগ্রহশালা অর্থাৎ ছোটখাটো একটা গ্রন্থাগার তৈরি করেছেন সাভারের বিপিএটিসি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষিকা মির্জা সুরাইয়া আফরোজ। তিনি বলেন, ‘একদিন ঢাকা থেকে সাভার যাওয়ার পথে অনেক বই কিনে আনার সময় সেগুলো হারিয়ে যায়। সেদিন যে কষ্ট পেয়েছি, তা আমার সারাজীবন মনে থাকবে। বিয়ের পর আমার স্বামী আমাকে নিজের ইচ্ছায় বই সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে অনেক অনুপ্রেরণা দেয়। নিজে শিক্ষকতা শুরু করি, ফলে ছোট্ট সংসারের একটা অংশ হয়ে যায় আমার বইয়ের সংগ্রহশালা। বাড়তে থাকে বইয়ের সংখ্যা। অবশেষে নিজের বাসভবনের একটা ঘরকে গ্রন্থাগার হিসেবে সাজিয়ে তাতে আমার বইগুলো সংগ্রহ করতে শুরু করি।
বই সংগ্রহের পাশাপাশি সেসব যাতে হারিয়ে না যায়, সে জন্য একটা ঘরে শেলফে বই সাজিয়ে ছোটখাটো গ্রন্থাগার তৈরি করেছি। আর প্রতিটি বইয়ের নাম ও লেখকের নামের তালিকা আমার নিজস্ব ডায়েরিতে লিখে রেখেছি। শেলফে বই রাখার ক্ষেত্রে আমার কাছে যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তা আমি সামনের সারিতে রেখেছি আর বাকিগুলো পেছনে রেখেছি। শেলফের বই যাতে নষ্ট না হয় এ জন্য বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখে নিমপাতা, ন্যাপথলিন, মেডিসিন-জাতীয় ওষুধের গুঁড়ো ছিটিয়ে দিই। সপ্তাহে অন্তত দুবার সংগ্রহের বইগুলো যত্ন করার চেষ্টা করি।’ গ্রন্থাগার গড়ে তোলার পাশাপাশি বইয়ের সংগ্রহের ক্ষেত্রে তিনি জানান, বই শুধু সংগ্রহ করে রেখে দিলে হবে না সেগুলো পড়তে হবে। যত্ন করতে হবে প্রতিটি বইয়ের। তবেই তো মনুষ্যত্বের মহিমায় মানুষ নিজের জীবনকে যথার্থ করে তুলতে পারবে।
ঘরে গ্রন্থাগার গড়ে তোলাঃ বই সংগ্রহ করা আর বই পড়া যাঁদের খুব পছন্দ বা শখ, তাঁরা বিভিন্ন জায়গা থেকে বই সংগ্রহ করে নিজেরাই ঘরে বসে গ্রন্থাগার গড়ে তুলতে পারেন। এ বিষয়ে ‘সেড’-এর লাইব্রেরি ইনচার্জ সানজিদা খান জানান, গ্রন্থাগার হচ্ছে জ্ঞানভাণ্ডার। যেকোনো উপায়ে যে কেউ দেশবিদেশের বিভিন্ন বই, জার্নাল প্রভৃতি সংগ্রহ করে গ্রন্থাগার গড়ে তুলতে পারে ঘরে বসে। তবে অবশ্যই গ্রন্থাগার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বই সংগ্রহ করে রাখার জন্য নির্দিষ্ট স্থানকে বিবেচনা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে যেকোনো শেলফে বই রাখা যেতে পারে সাজিয়ে। শেলফের একেকটা তাকে উপন্যাস, ভ্রমণকাহিনী, প্রবন্ধ, গবেষণামূলকসহ বিভিন্ন ধরনের বই পৃথক পৃথকভাবে সাজিয়ে রাখা যায়। আবার শেলফের তাকগুলোয় নম্বর দিয়ে রাখা যায়। অবশ্যই বইয়ের যে অংশে লেখকের নাম ও বইয়ের নাম আছে, সেটাকে সামনে রাখতে হবে, যাতে যেকোনো পাঠকের দৃষ্টি কাড়ে আর সহজে নিজের প্রয়োজনে বই খুঁজে পাওয়া যায়। শেলফে লেখকের নাম ও বইয়ের নাম অনুসারেও বইগুলো রাখা যায়। শেলফের প্রতিটি তাকে যে সংখ্যক বই রাখা হবে, এর একটা হাতে লেখা তালিকা অথবা কমিপউটারে নরমাল তালিকা করে রাখা যেতে পারে বর্ণমালা অনুসারে। বুক এক্সটেনশন খাতা রাখতে হবে। ফলে বইয়ের তালিকা, লেখকের নাম, বইয়ের প্রকাশকাল, বইয়ের নাম ইত্যাদি বিষয়ের হিসাব থাকবে। কোনো বই যদি হারিয়ে যায়, তবে সে তা বুঝতে পারবে। আবার নিজ গ্রন্থাগারে যেসব বই রয়েছে, তা যাতে চুরি না হয়ে যায় সে জন্য কেউ ইচ্ছা করলে নিজের নাম দিয়ে ব্যক্তিগত সিল তৈরি করে বইয়ের মধ্যে দিয়ে দিতে পারে। অবশ্যই খোলামেলাভাবে বই সাজিয়ে রাখতে হয় গ্রন্থাগারের শেলফে।
সতর্কতা
বইয়ের মধ্যে পোকা ধরে যাতে বইয়ের কোনো ক্ষতি না করতে পারে।
সম্ভব হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রি ঘরে বই রাখা দরকার।
দুই মাসে অন্তত একবার ন্যাপথলিন গুঁড়ো করে দিলে বইয়ের পৃষ্ঠার কোনো ক্ষতি হয় না।
পুরোনো বই হলে তা বাঁধাই করে রাখা যেতে পারে।
অনেকে সিটলের তৈরি শেলফ ব্যবহার করলেও কাঠের তৈরি শেলফ ব্যবহার করা ভালো।
বইয়ে যাতে ধুলোবালি জমে না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
শেলফে নম্বর দিয়ে বিষয় বা লেখকের নাম অনুযায়ী সাজিয়ে রাখলে বই খুঁজে পেতে সহজ হবে, আর বইয়ের হিসাবও থাকবে।
গ্রন্থাগারের বইগুলো বিশৃড়খলভাবে না রেখে বিন্যস্ত করে রাখলে যে কারও দৃষ্টিনন্দনের বিষয় হতে পারে।
বই পড়ার পর বইয়ের পৃষ্ঠা যেন ভাঁজ হয়ে না থাকে।
সূত্রঃ প্রথম আলো।
চিরকুট March 17th, 2009
একটি লেখায় হাসান শাহরিয়ার বলছেন;
“একাত্তরের সতেরো মার্চ মুজিব বলেছিলেন- “আমি আমার জন্মদিনের উৎসব পালন করি না। এই দুঃখিনী বাঙলায় আমার জন্মদিনই বা কি আর মৃত্যুদিনই বা কি?” লেনিনের একটি ঘটনার সঙ্গে মিল আছে কথাটির। উগ্রপন্থী এক বিপ্লবীর গুলিতে আহত হওয়ার পর চিকিৎসায় সেরে ওঠা লেনিনের নিরাপত্তায় ম্যালকভকে দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে প্রথম যেদিন নিজের গাড়ির পেছনে দেহরক্ষীর গাড়িটিও দেখতে পান লেনিন, জানতে চেয়েছিলেন- “আমার ওপর এই নজরদারির মানে?” উত্তরে ম্যালকভ পার্টির সিদ্ধান্তের কথা জানালে লেনিন বলেছিলেন- “সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের মুখে আমি এখনও দু বেলা দু মুঠো খাবার তুলে দিতে পারিনি; অথচ আমাকে পাহারা দেওয়ার জন্য পৃথক একটি গাড়ি; তার জন্য একজন ড্রাইভার; আর রাষ্ট্রের বাড়তি তেলখরচা! পাহারা দিতে হয়, আমার গাড়িতে উঠে এসো।”
লেনিন কিংবা মুজিবের পৃথিবী আজ নেই। তাই প্রথম অধিবেশনেই সাংসদদের শুল্কমুক্ত গাড়ির বিল পাশ হয় মুজিবকন্যার নেতৃত্বাধীন সংসদে। ৪৮ সেনাকর্মর্তার নামে শোকপ্রস্তাব আনার সময় স্পিকার-সাংসদ কারুরই বিডিআর-নাশকতায় নিহত ঐ রিকশাঅলা বা সব্জিবিক্রেতা বা ছাত্রের নাম মনে থাকে না, যাদের কথা মিডিয়ায় আগে এসেছে। কতিপয় বিডিআর সদস্যের অপরাধের কারণে একটি শতাব্দীপ্রাচীন প্রতিষ্ঠানের নামপরিবর্তনের কথা বলার সময় সেনাকর্মকর্তাদেরও ভাবনায় আসে না, তাহলে তো ১৫ আগস্টসহ অতীতের অনেক হত্যাযজ্ঞের জন্য সেনাবাহিনীরও নামপরিবর্তন করতে হয়।”
ইউটিউব তোর কপাল পোঁড়া !! March 9th, 2009
আমার দুইখান কথা আছে। আপনারা মাথা ব্যাথা হইলে কি করেন, ঔষধ খান নাকি মাথাটাই ঘ্যাচাং কইরা কাইটা ফেলান? আমার কথা কি বোঝা গেছে?
সরকার বরাবই আইটি এর ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়।এ আর নতুন কি?
তার পরও কিছু কথা বলি;
২৫শে ফেব্রুয়ারির ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীকে সেনাকুঞ্জের দরবারে যেতে বারণ করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী যদি দরবারে না যেতেন, সেনা অফিসাররা, বিশেষ করে তরুণরা হয়তো উচ্ছৃঙ্খল হয়ে উঠত। সেনাবাহিনীতে শুরু হতো বিশৃঙ্খলা। নিয়ন্ত্রণ হারাতো রাজনৈতিক সরকার। বিপন্ন হতো গণতন্ত্র। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেখানে গেছেন। ভাষণের পর এসএসএফ প্রধানমন্ত্রীকে সেনাকুঞ্জ থেকে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেই পরামর্শ উপেক্ষা করে সেনা কর্মকর্তাদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ শুনেছেন। এতে সাধারণ সেনা অফিসাররা প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতার প্রমাণ পেয়েছেন। মোবাইলে যারা ঐ দরবারের কথাবার্তা রেকর্ড করেছিল, তাদের উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী এবং সরকরের ইমেজ নষ্ট করা। কিন্তু সাধারণ মানুষ এসব শুনে প্রধানমন্ত্রীর ধৈর্য এবং সহনশীলতায় মুগ্ধ হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর ইমেজ বেড়েছে। পরিকল্পনার এই অংশও ভেস্তে গেছে।
এই ঘটনায় সেনাকর্মকর্তারা আবেগতাড়িত হয়েছেন, উত্তেজিতও হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সামনে এই উত্তেজনার বহিঃপ্রকাশও ঘটিয়েছেন, সেনাকুঞ্জের দরবারে। এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু ঐ কথোপকথনের টেপ বাজারে ছাড়লো কারা? কারা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিল সারা বিশ্বে? সেখানে তো প্রধানমন্ত্রী এবং কৃষিমন্ত্রী ছাড়া সরকারের আর কেউ উপস্থিত ছিলেন না। আমাদের সেনাপ্রধান তার সর্বশেষ প্রকাশিত বিতর্কিত গ্রন্থে গর্ব করে বলেছেন, সেনাবাহিনীর প্রতিটি অফিসার এখন কম্পিউটারে দক্ষ। তারাই কি এটা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছে? এটা কি গর্হিত, জঘন্য এবং নিুমানের সরকারবিরোধী তৎপরতা নয়? এটা কি তথ্যসন্ত্রাস নয়? এজন্য কি সেনাবাহিনীতে কোনো তদন্ত কমিটি হয়েছে? কোনো শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে?
যারা এটা ইন্টারনেটে ছেড়েছিল তাদের উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রীকে জাতির সামনে বিব্রত করা। কিন্তু হায়, নাবালক বালকেরা জানত না, তিনি শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, ‘জাতির জনকের কন্যা’। অসীম সাহস নিয়ে তিনি সেদিন সব বক্তব্য শুনেছেন, সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। ধীরস্থির শান্তভাবে তিনি যেভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন, তা আর কেউ পারত কিনা আমার জানা নেই।
দোষীকে সাজা না দিয়ে সাধারণ ইউজারদের মাউসের ক্লিক বন্ধ করে সরকার কোন বুদ্ধিমানের পরিচয় দেয়নি। অবিলম্বে ইউটিউব কে বাংলাদেশে উন্মুক্ত করা হোক।
