মহ্সেন মাখমালবাফ May 28th, 2009

যে কজন চলচ্চিত্রকার ইরানের চলচ্চিত্র জগৎ বদলে দিয়েছেন, যাঁরা নিজেদের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে রসদ নিয়ে আবিষকার করেছেন একটি স্বতন্ত্র চলচ্চিত্রভাষা এবং সেই ভাষা হলিউডের প্রবল দাপটের মধ্যেও বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করে নিয়েছে; সেই চলচ্চিত্রকারদের অন্যতম মহ্সেন মাখমালবাফ। তিনি নানা রকম রাষ্ট্রীয় অনুশাসন আর বাধা-বিপত্তির মধ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তাঁর কিছু ছবি ইরানে ছাড়পত্র পায়নি, কিছু ছাড়পত্র পাওয়ার পরও নিষিদ্ধ হয়েছে আবার কিছু ছবির অংশবিশেষ কর্তন করা হয়েছে। ছাড়পত্র পেতে, নিষেধ ও কর্তন এড়াতে অথবা যাতে কম কর্তিত হয় সেই লক্ষ্যে তিনি ছবি নির্মাণ করেছেন নানা রকম কৌশল অবলম্বন করে।
http://www.imdb.com/name/nm0538532/
মহ্সেন মাখমালবাফ পরিচালিত ছবির তালিকা
- স্ক্রিম অব দ্য অ্যান্টস (২০০৬)
- পোয়েট অব ওয়্যাসটস (২০০৫)
- চেয়ার (২০০৫)
- সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি (২০০৫)
(২০০৫ থেকে ইরানে নিষিদ্ধ)
- কোল্ডার দ্যান ফায়ার (২০০৫)
- মানডে মার্কেট (২০০৪)
- দ্য আফগান অ্যালফাবেট (২০০২, তথ্যচিত্র)
- কান্দাহার (২০০১)
- টেসট অব ডেমোক্র্যাসি (১৯৯৯)
- দ্য সাইলেনস (১৯৮৯)
(ইরানে ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত নিষিদ্ধ)
- অ্যা মোমেন্ট অব ইনোসেনস (১৯৯৫)
(ইরানে ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৭ নিষিদ্ধ)
- হ্যালো সিনেমা (১৯৯৫)
- দ্য অ্যাক্টর (১৯৯৩)
- ওয়ানস আপ-অন অ্যা টাইম, সিনেমা (১৯৯২)
(ইরানে ১৯৯২-৯৩ সালে নিষিদ্ধ)
- দ্য নাইটস অব জায়েনডে-রোড (১৯৯১)
(১৯৯১ সাল থেকে ইরানে নিষিদ্ধ)
- টাইম অব লাভ (১৯৯০)
(১৯৯০ সাল থেকে ইরানে নিষিদ্ধ)
- দ্য ম্যারিজ অব দ্য ব্লেসড (১৯৮৯)
- দ্য বাইসাইক্লিসট (১৯৮৭)
- দ্য প্যাডলার (১৯৮৭)
- বয়কট (১৯৯৫)
- টু ব্লাইন্ড আইজ (১৯৮৪)
- ফ্লিইং ফ্রম ইভিল টু গড (১৯৯৪)
সূত্রঃ প্রথম আলো।
মুরগা লেখক May 25th, 2009
সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশে কি না হয়? নিম্নের খবরটি একটু পড়ে দেখুন;
মুরগা লেখক
বাংলাবাজার বইয়ের বাজার। দেশজুড়ে এমনই পরিচয় তার। কিন্ত- বাংলাবাজারে সৃজনশীল প্রকাশকেরা এখন ‘মুরগা’ আর নেটবই নিয়ে শঙ্কিত। বাজার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মুরগার দল। সৃজনশীল গ্রন্থের প্রকাশকেরা এসব মুরগার পরাক্রমে বেকায়দায়।
এই মুরগা কুক্কুট শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত নয়। বাংলাবাজারের প্রকাশকেরা একশ্রেণীর লেখককে দিয়েছেন এই মুরগা অভিধা। আর একশ্রেণীর প্রকাশকও পেয়েছেন ‘মুরগা ধরা’ প্রকাশকের খেতাব। বাংলাবাজারে মুরগা লেখকদের আমদানি ঘটেছিল ২০০০ সালে। লেখক হিসেবে খ্যাতি-পরিচিতি পাওয়ার মানসে হঠাৎ গজিয়ে ওঠা একদল মসিধারীর আবির্ভাব ঘটেছিল তখন। অধিকাংশই বয়সে তরুণ। গ্রন্থ প্রকাশ করতে যে অর্থ খরচ হয়, তার সবটাই দিতে রাজি তারা। কথা শুধু একটাই-উপন্যাসটি যেন প্রকাশ হয়।
সৃজনশীল গ্রন্থের প্রকাশকেরা নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য মুরগা লেখকদের প্রতিরোধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। মুরগা লেখক-প্রকাশকদের কিছুটা প্রভাব-প্রতিপত্তি এতে কমেছে বটে, তবে বাংলাবাজারের প্রকাশনা মুরগাদের কবলমুক্ত হয়নি।
লেখকদের যেমন মুরগা খেতাব দেওয়া হয়েছে, তেমনি তাঁদের রচিত গ্রন্থেরও আছে বিশেষ নাম। মুরগা লেখকেরা প্রধানত উপন্যাস রচনা করে থাকেন। এসব উপন্যাসকে বাংলাবাজারে বলা হয় ‘নেটবই’। কমিশন নয়, নেট দামে বিক্রি হয় বলে এই নাম।
কেমন এসব উপন্যাস? কয়েকটির নাম-স্বর্গ পেয়েছি তোমাকে পেয়ে, লেখক গীতিকার বিরহী বিপ্লব। ভুল করেছি ছাত্র জীবনে ভালবেশে, লেখক বশির আহমেদ বিপ্লব। অনেক স্বপ্ন ছিল তোমাকে নিয়ে, লেখক মো. সোহেল রানা। মনের মাঝে তুমি, লেখক মো. মেহেদী হাসান সুমন। বোর্ড বাঁধাই, চার রঙা প্রচ্ছদ। নিউজপ্রিন্টে ছাপা। কোনো কোনো প্রচ্ছদে ব্যবহৃত হয়েছে দেশি-বিদেশি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ছবি। শেষ প্রচ্ছদে লেখকের ছবি, সঙ্গে বিস্তারিত ঠিকানার সঙ্গে সংযুক্ত মোবাইল ফোন নম্বর।
উপন্যাসের বিষয়বস্ত- আদি ও অকৃত্রিম-ভালোবাসা। রচনার কিছু নমুনা দেওয়া যাক। মনের মাঝে তুমি উপন্যাসটি শুরু এভাবে-এখন ছিল চৈত্র মাস। তখন চার দিকে ছিল মেঘে ডাকা। এর কিছুক্ষণ পরেই টিপ টিপ করে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। এখন ও তখনের ব্যবহার লক্ষণীয়। আছে বেসুমার মুদ্রণ প্রমাদ। অবশ্য নেটবইগুলো প্রচলিত অর্থে পর্নো পুস্তক নয়। বর্ণনা দীর্ঘ না করলেও বোঝা যায় এসব নেটবইয়ের গুণমান কেমন।
লেখকেরা পাণ্ডুলিপি নিয়ে এলে প্রকাশকেরা তাঁদের সঙ্গে একটি চুক্তি করেন; ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু। লেখককে তাঁরা এক-দেড় শ কপি বই দিয়ে দেন। বাকি বই শতকরা হারে বিক্রি করেন ফুটপাতের খুচরা বিক্রেতাদের কাছে।
ভয়ঙ্কর খবর হলো, এসব নেটবইয়ের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্কুলের লাইব্রেরিতে। সৃজনশীল গ্রন্থের প্রকাশকেরা জানিয়েছেন, অনেক স্কুলের শিক্ষক বাংলাবাজারে এসে ৫০ টাকা দামের নেটবই পাঁচ টাকা করে কিনে শতকরা ৪০ ভাগ কমিশনের রসিদ নিয়ে চলে যান। স্কুল কমিটিকে তাঁরা দেখান বই কেনা হয়েছে ৩০ টাকায়। নিজের পকেটে চলে যায় ২৫ টাকা।
নেটবইয়ের জমজমাট ব্যবসা চলেছে ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত, জানালেন নওরোজ সাহিত্য সম্ভারের কর্ণধার ইফতেখার রসুল। বাংলাবাজারের অনেক প্রকাশকই এসব বই ছাপিয়েছেন। ওই সময়টিতে নেটবইয়ের দাপট এত বেড়ে গিয়েছিল যে, তাতে মানসম্মত সৃজনশীল গ্রন্থের প্রকাশকেরা বেশ মন্দার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন। তবে সুজনশীল বইয়ের প্রকাশকেরা নেটবইয়ের প্রকাশকদের চাপ দেওয়ায় মুরগা লেখকদের দাপট আগের তুলনায় কিছু কমেছে বলে জানান তিনি।
অনন্যার প্রকাশক মনিরুল হক বলেন, নেটবই অত্যন্ত সস্তা, রংচঙা প্রচ্ছদ। অন্য বইয়ের দাম নেটবইয়ের মতো কমানো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, নেটবই ছাড়াও আছে পাইরেসি করা বই। রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, নজরুলের মতো লেখকদের চিরায়ত গ্রন্থগুলোর পাইরেসি কপি পাওয়া যায় মাত্র ১০০ টাকা বা তার চেয়েও কম দামে। পাইরেসি করার সময় পাতার নম্বর ঠিক রেখে মাঝখান থেকে এক বা দুই ফর্মা বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসসমগ্র, কিংবা শরৎচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ইত্যাদি নামে এসব পাইরেটেড বই ছাপা হচ্ছে প্রচুর। ভেতরে যে এক-দুই ফর্মা করে নেই, ক্রেতারা কেনার সময় তা কোনোভাবেই বুঝতে পারে না।
বিদেশি লেখকদের বিখ্যাত গ্রন্থ্থের ক্ষেত্রেও এই অবস্থা। তাই বই কিনে পস্তাতে না হলে নেটবই ও কম দামের বই কেনা থেকে বিরত থাকাই উত্তম।
আশীষ-উর-রহমান
কন্যাসন্তান হয় বাবার কারণে May 20th, 2009
কন্যাসন্তান হয় বাবার কারণে
সৌজন্যেঃ প্রথম আলো।
একজন মা মেয়েশিশু জন্ম দিলে গঞ্জনার শেষ থাকে না। বাংলাদেশের গ্রাম থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত সবখানেই এ ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়। কিন্ত- সন্তান ছেলে হবে, না মেয়ে হবে-এর পেছনে ভূমিকা থাকে পুরুষ বা বাবার, কোনোভাবেই মায়ের নয়। বৈজ্ঞানিকভাবে বললে বলতে হয়, নারীর ডিম্বাণুতে থাকে xx, আর পুরুষের শুক্রাণুতে থাকে xy ক্রেমোজোম। নারীর x আর পুরুষের y মিলিত হলে ছেলেসন্তান হয়, আর পুরুষের x-এর সঙ্গে নারীর x মিলিত হলে মেয়েসন্তান হয়। হিসাবটা খুব পরিষকার। পরিবর্তনটা হচ্ছে পুরুষের কারণে। এখানে নারীর কোনো হাত নেই।
কিন্ত- বিজ্ঞানের এত অগ্রগতির যুগেও যখন ভুল ব্যাখ্যা শুনি, তখন মনটা খারাপ হয়ে যায়। আমাদের দেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বিষয়টি জেনেও অনেকে মানতে চায় না, নাকি তাদের সঠিক শিক্ষা নেই? কদিন আগে পত্রিকায় পড়লাম, এক রিকশাচালক ঢাকায় এসেছেন রিকশা চালাতে। তাঁর স্ত্রী সন্তানসম্ভবা, যাঁদের দুটো মেয়ে আছে। স্ত্রীকে তিনি বলে এসেছেন, এবার মেয়ে হলে তালাক দেবেন! তৃতীয়বার মেয়েসন্তান হওয়ার পর মা কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
আরেকটা ঘটনা বলি, এক লোক দুবাই থেকে এসে এক চিকিৎসকের মেয়েকে বিয়ে করে দুবাই চলে গেলেন। স্ত্রী সন্তানসম্ভবা; তাঁর শাশুড়ি বলে বেড়াচ্ছেন, ছেলে না হলে তাঁকে রাখবেন না। মেয়েসন্তান হওয়ার পর তাঁকে বাচ্চাসহ বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন।
এসব ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী আমি-আপনি সবাই। বিনা কারণে মেয়েদের নারকীয় যন্ত্রণা কেন পোহাতে হবে? স্বাস্থ্যসচেতনতা সমপর্কে এত কথা বলা হয়, কিন্ত- আমাদের দুঃখিনী বোনদের দেখার জন্য কেউ নেই। আরও বহু ঘটনা আমাদের অজান্তে ঘটছে। ছেলেমেয়ে নিয়ে সমাজে বিভেদ করা উচিত নয়। তার পরও যদি কেউ ছেলেসন্তান চেয়ে না পায়, এর জন্য দায়ী হচ্ছে পুরুষ; এর জন্য নারীকে দোষারোপ করা উচিত নয়।
এত নারীনির্যাতন শিক্ষিত সমাজ কেমন করে সহ্য করে! সবাই নির্বিকার হয়ে থাকলে চলবে না। সব স্বাস্থ্যকর্মী ও ক্লিনিকে এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির জন্য পোসটার দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। এই কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করতে হবে। সবার কাছে সঠিক সংবাদ জানাতে হবে। ২০০৯ সালে এসে এসব কুসংস্কারের কারণে নারীনির্যাতন চলতে দেওয়া যায় না। আসুন, আমরা সবাই সতর্ক হই, যেন আর কোনো দুঃখিনী মা-বোনের নির্মম মৃত্যু না হয়।
আফজালুননেসা
অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও চিকিৎসক
বিএসএমএমইউ, ঢাকা।
How at play Live "radio 2 fun" on your blog? May 18th, 2009
How at play Live “radio 2 fun” on your blog;
Copy and paste the bellow code to a new widget.
<p align=”center”><b><font color=”#FF0000″ size=”2″>Radio 2 Fun
</font></b></p>
<div id=”container” align=”center”>
<p align=”center”><a href=”http://www.macromedia.com/go/getflashplayer”>Get the Flash Player</a> to see this player.</p></div>
<script src=”http://www.radio2fun.com/player/swfobject.js” type=”text/javascript”></script><script type=”text/javascript”>
var s1 = new SWFObject(“http://www.radio2fun.com/player/player.swf”,”ply”,”185″,”20″,”9″,”#FFFFFF”);
s1.addParam(“allowfullscreen”,”true”);
s1.addParam(“allowscriptaccess”,”always”);
s1.addParam(“flashvars”,”file=http://67.228.101.162:7600/;stream.nsv&type=mp3&volume=50&autostart=false”);
s1.write(“container”);
</script>
Then save it and refresh your blog. – Thanks

