In this video you will see a recipe by Muhammad Zafar Iqbal. Lebu Daal.

Tags:
Posted in Uncategorized | No Comments »

নিম্নের খবরটি আমি আমার ব্লগে না শেয়ার করে পারলাম না, প্লিজ পড়ুন এবং মন্তব্য করুন।
কালো বলে তালাক!
বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে আড়াই লাখ টাকা দাবি করে বরপক্ষ। জমিজমা বিক্রি করে মেয়ের বাবা বরের হাতে তুলে দেন এক লাখ টাকা। বাকি দেড় লাখ টাকা তিনি পরে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্ত- বিয়ের মাত্র ২৩ দিনের মাথায় তালাকনামা পাঠায় বর। মেয়ের অপরাধ-তিনি দেখতে কালো। এটি রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ঘটনা।
কথিত তালাকনামা পাওয়ার পর মেয়ের কান্না আর থামছে না। ১৯ বছরের ওই মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি বাঁচতে চাই না। কালো হওয়ায় আমার কপাল পুড়ল। আল্লাহ্‌ কেন আমাকে কালো করল। এই মুখ আমি কাউকে দেখাতে চাই না।’
মেয়ের এমন হাল দেখে বাবা-মাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও মুষড়ে পড়েছেন। মেয়ের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘হতভাগীকে এত করে সবাই বোঝাচ্ছি, কিন্ত- সে বুঝতে চাইছে না। শুধু কাঁদছে।’
জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার আমরুলবাড়ী গ্রামের সচ্ছল পরিবারের মেনহাজুল ইসলামের (২৩) সঙ্গে গত ৩০ এপ্রিল মেয়েটির বিয়ে ঠিক হয়। এ জন্য মেয়ের বাবা ছেলেপক্ষকে আড়াই লাখ টাকাসহ আসবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। মেনহাজের বাবা আমিনুল ইসলাম ওই দিনই মেয়ের বাবাকে কাজী ডেকে বিয়ে নিবন্ধন করার অনুরোধ করেন। মেয়ের বাবাও প্রস্তাবে রাজি হন। কিন্ত- নিবন্ধনের আগেই যৌতুকের সব টাকা চান আমিনুল ইসলাম। বেকায়দায় পড়েন মেয়ের বাবা। এরপর তিনি বিক্রি করেন আবাদি ৬৯ শতাংশ জমি। শেষমেশ যৌতুকের আড়াই লাখ টাকার মধ্যে তিনি বরের বাবার হাতে এক লাখ টাকা তুলে দেন। এরপর ২ মে কাবিননামামূলে বিয়ে নিবন্ধন হয়। ৮ মে কনেকে তুলে দেওয়ার সময় বাকি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মেয়ের বাবা।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাবিনের পর মেয়ের বাড়িতে বিয়ের আয়োজন চলছিল। ৬ মে বরের এক বোন মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখান থেকে ফিরে তিনি ওই মেয়েকে ঘরে না তোলার পরামর্শ দেন ভাইকে। কারণ মেয়েটির গায়ের রং কালো। এরপর বিয়ের সব আনন্দ-আয়োজন বিষাদে রূপ নেয়। ছেলে ও তাঁর বাবা কনেকে ঘরে তুলতে অস্বীকৃতি জানান।
বর মেনহাজের এক কথা, ‘মেয়ে কালো। ওই মেয়েকে বিয়ে করব না।’ বাধ্য হয়ে মেয়ের বাবা যৌতুক বাবদ দেওয়া এক লাখ টাকা ফেরত চান। কিন্ত- ছেলের বাবা টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। গত ২৫ মে বর মেনহাজ রংপুর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে কনের কাছে তালাকনামা পাঠান।
এ ঘটনার পর চোখের পানি ফেলতে ফেলতে মেয়ের বাবা বলেন, ‘মানসম্মান রক্ষার্থে ছেলের বাবার হাত-পা ধরেছিলাম। তবু তাঁরা আমার মেয়ের কাছে তালাকনামা পাঠিয়েছে। এখন তারা যৌতুক বাবদ টাকা নেওয়ার কথাও অস্বীকার করছে।’
বরের এলাকা বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘বিয়ে নিবন্ধন হয়েছিল, কিন্ত- মেয়ে নাকি কালো। তাই ছেলে বিয়ে করতে চাইছে না। ছেলে তালাকনামা পাঠিয়েছে।’
বরের বাবা আমিনুল বলেন, ‘আমার ছেলের মেয়ে পছন্দ হয়নি। তাই তালাক দিয়েছে।’ যৌতুক নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংসার করার আগে কেউ কাউকে টাকা দেয় না। বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে।’
মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বর মেনহাজ বলেন, ‘আমার মতামত না নিয়ে বিয়ে নিবন্ধন করা হয়। তা ছাড়া মেয়েটি কালো। এ কারণে তালাক দিয়েছি।’ বিয়ের আগে মেয়ে দেখেছিলেন কি না জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ‘রাতে মেয়ে দেখেছিলাম। তখন বুঝতে পারিনি।’
তবে নিকাহ নিবন্ধক আবু মুসা বলেন, ‘আমি ওই বিয়ের নিবন্ধন করেছি। ছেলে স্বেচ্ছায় কাবিননামায় সই করেছে।’
রংপুরের আইনজীবী সিরাজ আহম্মেদ বলেন, প্রচলিত আইনে নোটারি পাবলিকে এফিডেভিট করে কোর্ট ম্যারেজ বা তালাক দেওয়ার আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। এটা একমাত্র নিকাহ নিবন্ধক করতে পারেন। মেয়েপক্ষ চাইলে এ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে।

সৌজন্যেঃ প্রথম আলো

Convert Youtube videos to Mp3   June 23rd, 2009

Youtube is officially my favorite website to enjoy music videos and listening to Mp3. Recently I’ve discovered one that not only helps you convert Youtube videos to Mp3 in an instant but it also reduces the size of the actual file big times.
Video2Mp3 is a free online service that lets you download Youtube videos after extracting the music file from it so that you an listen to your favorite YouTube tracks on every MP3 player.. This helps it reduce the size by at least 60%. For example a 6Mb video song will most probably be converted to 1.5MB or may be less.

video2mp3

All you have to do is copy the url of any Youtube video you want to download and click Convert. You can choose the quality of this track by choosing between “Stand Quality” and “High Quality”. If you have a high speed internet I would highly reommend that you choose the “High Quality” to enjoy better quality of the music.
In addition to all that it offers a Firefox add-on . The addon adds a link on YouTube Video pages to this service and converts the video directly.

addon
Covert Youtube videos with Video2Mp3
Tags: , ,
Posted in Uncategorized | No Comments »

বর্ষা উৎসব   June 16th, 2009

শ্যামল মেঘের চঞ্চলতায় প্রকৃতির পালাবদলে এলো বর্ষা। গ্রীষ্মের তপ্ত দাহে যখন জনজীবন অস্থির তখন বর্ষার আগমন যেন প্রকৃতির সেই অবস্থাকে ্লাত করবার জন্য। চোখের পলকে বিজলীর ঝলকানিতে মেঘমেদুর বর্ষা রিমঝিম বৃষ্টি ঝরিয়ে প্রকৃতিকে করে সজীব।
ঋতুভিত্তিক উৎসবসমূহ কোনো বিশেষ সমপ্রদায়ের নয়, এটি ঐতিহ্যগতভাবে অসামপ্রদায়িক। আবহমানকাল ধরে পহেলা বৈশাখ, নবান্ন উৎসব, বসন্ত উৎসব ইত্যাদির সঙ্গে সামপ্রতিক বছরগুলোতে নানা আয়োজনে বর্ষা উৎসব বাংলাদেশের অসামপ্রদায়িক মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

 
  
  
Tags:
Posted in Uncategorized | 3 Comments »
আজ প্রথম আলোতে স্যার জাফর ইকবালের একটি লেখা পড়লাম। আমার ব্লগ যারা পড়েন তাদের জন্য লেখাটি শেয়ার করলাম।
 ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনা
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
খবরের কাগজে দেখেছি ১৯ জুন বাংলাদেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে দেওয়া হবে। যাঁরা ব্যাপারটি এখনো ভালো করে বুঝতে পারছেন না, তাদের সহজভাবে বোঝানো যায় এভাবেঃ বাংলাদেশে ১৯ জুন সূর্য উঠবে ভোর পাঁচটায় কিন্ত- ২০ জুন সূর্য উঠবে ভোর ছয়টায়।
আমি জানি এই দেশের বেশির ভাগ মানুষের কাছেই ব্যাপারটা একটা ধাক্কা হিসেবে আসবে। ১৯৭৬ সালে আমি যখন প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলাম তখন ঘড়ির কাঁটা ওলট-পালট করার ব্যাপারটি আমার কাছে একটা ধাক্কার মতো ছিল। আমি আবিষকার করেছিলাম হঠাৎ করে অপরাহ্নে সূর্য ডুবে চারদিক অন্ধকার হয়ে যেতে শুরু করেছে। ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেওয়ার এই পদ্ধতি সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের জন্য ঠিক আছে কিন্ত- বাংলাদেশের জন্য এটি মোটেও সহজ নয়। কেন নয় সে সমপর্কে আমার যুক্তিগুলো এ রকম-
ক. আমরা যদি ঘোষণা দিয়ে এক দিন ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে দিই তারপর রেডিও টেলিভিশন খবরের কাগজে সাংঘাতিকভাবে প্রচার করে দেশের সব মানুষকে তাদের ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে নিতে বাধ্য করি তাহলেই কিন্ত- আমাদের দায়িত্ব শেষ হবে না। শীতের শুরুতে আবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা পিছিয়ে আনতে হবে-অর্থাৎ প্রতি বছর দুইবার করে আমাদের এই বিশাল দণ্ডযজ্ঞ করে যেতে হবে-বাকি জীবন!
খ. ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনা বলতে কী বোঝায় সেটি বেশির ভাগ মানুষ জানে না। আমি অনেককে ফোন করেছি সবাই উল্টো কথা বলেছে। সবার ধারণা, এখন সূর্য ডোবে সন্ধ্যে সাতটার দিকে, ঘড়ির কাটা এগিয়ে আনার ফলে সূর্য ডুববে সন্ধ্যে ছয়টার দিকে! এখনো যদি দেশের মানুষ ব্যাপারটা না বোঝে তাহলে তাদের কখন এটা বোঝানো হবে? কেউ কেউ যদি একদিকে পরিবর্তন করে, কেউ কেউ অন্যদিকে এবং কেউ কেউ গোয়ার্তুমি করে যদি কোনো দিকেই পরিবর্তন না করে তখন কী হবে? এর চেয়ে বড় বিপর্যয় কী হতে পারে?
গ. খবরের কাগজে দেখেছি স্কুল এর আওতায় পড়বে না! এটা একটা অবিশ্বাস্য খবর। বাংলাদেশের সবার ঘড়ি এক রকম, স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের ঘড়ি অন্যরকম-এটা হতে পারে না। যারা খবরের কাগজে এই খবর ছাপিয়েছেন তাঁরা ব্যাপারটা বুঝতেই পারেননি। এখনো যদি খবরের কাগজের মতো গুরুত্বপূর্ণ মানুষেরাই ব্যাপারটি না বোঝেন তাহলে অন্যরা কখন বুঝবেন?
ঘ. যেসব দেশ এই পদ্ধতি ব্যবহার করে তারা এটা করে বসন্ত এবং শরৎকালে (মে এবং অক্টোবর মাসে)। জুন একটু দেরি হয়ে গেছে-আবার আগের ঘড়িতে কখন ফিরে যাওয়া হবে এখনো সেই ঘোষণা চোখে পড়েনি।
ঙ. আমাদের দেশ বিষুব রেখার কাছাকাছি একটা দেশ (বাংলাদেশের ওপর দিয়ে কর্কট ক্রান্তি গিয়েছে)। কাজেই দিন এবং রাতের দৈর্ঘ্য শীত এবং গ্রীষ্নকালে খুব বেশি বড় এবং ছোট হয় না। এ রকম দেশে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে এবং পিছিয়ে কোনো বড় ধরনের লাভ হবে না।
চ. ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনা এবং পিছিয়ে আনা ঠিক করে কার্যকর করা খুব সহজ হবে না। অবধারিতভাবে প্রথম কয়েক দিন সারা দেশে একটা বড় ধরনের বিভ্রান্তি থাকবে। মানুষ ভুল সময়ে অফিসে যাবে, ট্রেন-বাস আগে ছেড়ে দেবে, স্কুল-কলেজে ছাত্রছাত্রীরা ভুল সময়ে যাবে, দোকান পাট ব্যাংক ভুল সময়ে চালু থাকবে এবং সারা দেশে একটা গোলমাল শুরু হয়ে যাবে। অবস্থাটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে না পারলে সরকারকে অনেক বড় ধরনের সমালোচনার মুখোমুখি হতে হবে! ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে দিয়ে সেটা কার্যকর করতে না পেরে আবার পিছিয়ে আনা হলে সেটাকে এক ধরনের ব্যর্থতা হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। সরকার কেন এই ঝুঁকি নিতে যাচ্ছে?
ঘড়ির কাঁটা এগোনোর এই বিষয়টি এসেছে বিদ্যুৎ বাঁচানোর ভাবনা থেকে। আমার ধারণা, ঘড়ির কাঁটার পরিবর্তন না করে সরকার যদি গ্রীষ্নকালে সব অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবাইকে এক ঘন্টা আগে কাজ শুরু করে এক ঘন্টা আগে শেষ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় তাহলে কাড়িক্ষত ফলটি পেয়ে যাবে অনেক সহজে। এর মধ্যে কোনো রকম বিপর্যয়ের ঝুঁকি নেই।
আমার ধারণা, ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে আনা (নাকি পিছিয়ে দেওয়া?) ধরনের কোনো পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ এখনো প্রস্ত-ত হয়নি। তার চেয়ে বড় কথা সম্ভবত এর প্রয়োজনও নেই।
এর চেয়ে বরং সাপ্তাহিক ছুটির দিনটি কোন দিন হবে সেটা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হোক।
মুহম্মদ জাফর ইকবালঃ লেখক। অধ্যাপক শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।