Disable Yahoo! from tracking you July 30th, 2009
That’s good for sure, but the “monitoring” methods that we all have been far too familiar with in the last couple of years have been renewed with this move also. Yahoo! is now keeping track of which sites its members that are getting into groups or using Yahoo! services are visiting and storing this data with a method called “Web Beacons”. The aim is to give these statistics to the partner companies arranged by agreement and to improve the “advertisement guiding” function.
However, those who are bothered by this and do not want to be kept track of have still a choice. Yahoo! has hidden this option way deep inside somewhere. I’m declaring it here in case there are people who want it anyway.
1) Go to
http://privacy.yahoo.com/privacy
2) Click on “Topics” tab.
3) Click on “Web Beacons”
4) On the left-hand side, click on “opt-out of interest-matched advertising”
5) Then, finally click on Opt-out and you are done…
সাতকাহন July 19th, 2009
কেউ কি আমার এই কবিতাটির একটি শিরোনাম দিবেন ? July 14th, 2009
সবই তো ঠিক তেমনি আছে
এলোমেলো কাগজকলম বইপত্র
শব্দ দিয়ে গড়া আমার কবিতার খাতা
ছাদের কার্ণিশে এখনো ঝুলছে ঝলসানো স্মৃতি।
দেয়ালে সাঁটা সেই ধূসর ছবিটি
এখনো হেলে আছে ডানদিকে একটু্খানি।
জানালার পাশে বাগানটিতে
এখনো জোনাকিরা জ্বালছে মশাল
ঝিঁঝিঁরা এখনো আবৃত্তি করছে
কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো।
অন্ধকার এখনো এসে উলটে দিচ্ছে
আকাশে তারাদের ঝিলমিল।
ঘাসের ডঁগায় শিশির হয়ে এখনো
শুয়ে আছেন নাটোরের বনলতা সেন।
শুধু আমি নেই,
না মরিনি -
আমি আজ তাই কবি নই আর
কাকতাড়ুঁয়া হয়ে বাঁচি।
রিটন K.
কেউ কি আমার এই কবিতাটির একটি শিরোনাম দিবেন ?
দয়াকরে রেপ্লেতে আপনার দেয়া শিরোনামটি উল্লেখ করুন।
মাইকেল জ্যাকসনের প্রথম গান July 7th, 2009
১৯৬৩ সালে মাইকেল জ্যাকসনের বয়স যখন ৫ বছর তখন তার সংগীতে অভিষেক হয়েছিল। যে গানটি মাইকেল জনসম্মুখে সামনে প্রথম গেয়েছিলেন সেটি হলো ‘ক্লাইম্ব এভরি মাউন্টেইন’। গানটি তিনি গেয়েছিলেন ইন্ডিয়ানায় তার জন্মভূমি গ্যারিতে। তিনি এ গান গেয়ে কোন পারিশ্রমিক পাননি। যখন ৫ ভাই মিলে জ্যাকসন ৫ গড়লেন- সেই জ্যাকসন-৫ এর প্রথম যে কনসার্টটি হয়েছিল সে সময় কনসার্টের আয়োজক মি. গিগস তাদের প্রত্যেককে মাত্র ১ ডলার করে দিয়েছিলেন। গান গেয়ে এটিই ছিল মাইকেল জ্যাকসনের প্রথম পাওয়া পারিশ্রমিক।
দে কেম ব্যাক July 3rd, 2009

Directed by Robin Campillo
চলচ্চিত্র
দে কেম ব্যাক
একদিন সকালবেলায় ফ্রানেসর এক ছোট্ট শহরের অধিবাসীরা ঘুম থেকে জেগে আবিষকার করল, সমপ্রতি মারা যাওয়া হাজার হাজার মানুষ শহরে ঘোরাফেরা করছে। এই অত্যাশ্চর্য ঘটনা কীভাবে ঘটতে পারে, ঘটল কী করে, সেসব দিকে তাকানোর ফুরসত কারও ছিল না। বরং মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদের আত্মীয়স্বজনের এক হুড়াতাড়া মোলাকাত শুরু হলো।
তখন একটা অসুবিধা তৈরি হলো। যেসব মৃত লোক ফিরে এসেছে সমাজে, তাদের পুনর্বাসন হবে কী করে? তারা যেসব চাকরি করত, সেগুলো এখন অন্যরা করছে। তাদের স্বামী বা স্ত্রী তো এখন থাকে অন্য কারও সঙ্গে। সরকারি কর্মকর্তারা এই নিয়ে যখন খুব ব্যস্ত, এসব নতুন লোকের নিয়ে কী হবে, তখন এসব মৃত আগন্ত-ক কিম্ভুত সব আচরণ করতে শুরু করে।
তারপর ধীরে ধীরে সবাই বুঝতে পারে, যারা ফিরে এসেছে তারা ঠিক মৃত লোকদের মতো নয়। কোথাও একটা পার্থক্য আছে।
ক্যামপিলো, তার ডিরেক্টর হিসেবে বানানো প্রথম ছবিতে এক অন্তর্ভেদী দৃষ্টি হেনে দেখিয়েছেন-সমাজ কীভাবে সামাল দেয় তার দুঃখ আর মর্মপীড়া, আর সেই কাজটি কত কঠিন।
